আব্দুল লতিব সম্রাট
শিশুদের সঙ্গে তাড়াহুড়ো করে সময় না কাটানোই ভালো। ধীর এবং শান্ত এই দুইভাবে সময় কাটান তাঁদের সঙ্গে। শিশুরা আয়নার মতো, তারা যা দেখে তাই শেখে। আপনার আচরণকে অনুকরণ করে। শিশুর সামনে তার প্রশংসা করুন, এতে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে, সেই গুণাবলীগুলো সে বিশ্বাস করতে শুরু করবে। যে সমস্ত বাবা-মায়ের সন্তানেরা মাত্র কথা বলা বা শেখা শুরু করেছে, সেসব শিশুকে অক্ষর শেখানোর আগে আবেগগুলোর সঙ্গে পরিচয় করানো উচিত।
যেমন ধরুন, শিশু কান্না করলে তাকে বলুন, আমি বুঝতে পারছি বাবা তোমার অনেক কষ্ট হচ্ছে তাই তোমার কান্না পাচ্ছে। আপনার শিশুটি যখন হাসছে, তাকে বলুন তুমি আনন্দিত বলেই হাসছ। অথবা আপনার শিশু কোলে না আসতে চাইলে তাকে বলুন, আমি বুঝতে পারছি আমার ওপর তোমার অনেক রাগ, সে কারণে আমি দুঃখিত। ঘটনা ক্রমে যখন আপনি আপনার শিশুকে আচরণের সঙ্গে আবেগ বা অনুভূতির যোগাযোগ বুঝতে শেখাবেন, তখন সে সচেতন হবে এবং নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে দক্ষ হয়ে উঠবে। এমন কিছু দারুণ দারুণ পদ্ধতি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে গড়ে তুলতে কাজ করতে পারেন মনের বন্ধুর বিশেষজ্ঞ কাউন্সেলরদের সঙ্গে। আমি আব্দুল লতিব সম্রাট ইতিবাচক প্যারেন্টিং কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করতে আছি মনের বন্ধুতে।
ব্লগটি মনের বন্ধু এক্সপার্ট দ্বারা রিভিউয়ের পরে প্রকাশিতএই ব্লগের একমাত্র উদ্দেশ্য মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাঠকের বোঝার সুবিধার্থে এতে কিছু প্রতীকি ঘটনা ব্যবহার করা হয়েছে।
এই ব্লগ বা এর কোনো অংশ পড়ে কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার জন্য লেখক ও ‘মনের বন্ধু’ দায়ী নয়। মনের ওপর চাপ অনুভব করলে বা মানসিকভাবে ট্রিগার্ড অনুভব করলে দ্রুত মনের বন্ধু বা যেকোনো মানসিক স্বাস্থ্যবিদের সাথে যোগাযোগ করুন।
মনের বন্ধুতে কাউন্সেলিং নিতে যোগাযোগ করুন: ০১৭৭৬৬৩২৩৪৪।
📍: ৮ম ও ৯ম তলা, ২/১৬, ব্লক-বি, লালমাটিয়া, ঢাকা
আলিয়া ভাট তার অ্যাটেনশন ডেফিসিট ডিজঅর্ডারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে জানান
প্যারেন্টিং একটি অসাধারণ যাত্রা। কিন্তু এই যাত্রায় সমস্যা এবং বাধার কোনো অভাব নেই। নিঃসন্দেহে এটি একটি কঠিন কাজ।
কোনো না কোনো ভাবে প্রতি মুহূর্তেই আমরা যত্ন পেয়ে থাকি। মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন তো আছেই। আবার এমন কিছু মানুষের যত্নে ভালো থাকি যারা পেশাগত কারণে সরাসরি যত্ন বা সেবা দানের সঙ্গে জড়িত, যেমন - নার্স, ব
Stress, anxiety, and depression are interconnected, but they are not the same. Failing to understand the differences can lead to ignoring symptoms, mislabeling emotions, or invalidating someone else.